মুফতী সাহেবই ফাতাওয়া প্রদানের অধিকার রাখেন। রাসূলের যোগ্য উত্তরসূরী, ইসলামী বিধান সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ, অভিজ্ঞ মুফতীগণই কেবল ফাতাওয়া প্রদানের যোগ্য ও অধিকার প্রাপ্ত। যে কোন সাধারণ আলেমেরও ফাতাওয়া দেয়ার অধিকার নেই। আগেতো সরকারীভাবেই মুফতী নিয়োগ করা হতো। ভারতবর্ষে ইংরেজদের দখলদারীর পর সরকারীভাবে এই ধারা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর থেকে দারুল উলূম দেওবন্দ ও বিশিষ্ট ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট মুফতীয়ানে কিরাম জাতির অতীব গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্বটি নিরলসভাবে লিল্ল্যাহিয়্যাতের সাথে আঞ্জাম দিয়ে আসছেন। গোটা দুনিয়ায় মুফতীয়ানে কিরামের সেসব ফাতাওয়া সশ্রদ্ধভাবে ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে মেনে নেওয়া হয়।
এরপর ইংরেজ দখলদারীর অবসানের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন না হলেও মুফতীগণের ফাতাওয়া কস্মিনকালেও বন্ধ হয়নি এবং কিয়ামত পর্যন্ত হবেও না ইনশাআল্লাহ। উলামায়ে উম্মতের এই ফাতাওয়াই ইসলামী উম্মাহকে চিরজীবি করে রেখেছে। সারা বিশ্বের ঈমানদারদের ব্যক্তিগত জীবন থেকে নিয়ে আন্তর্জাতিক জীবন পর্যন্ত গোটা জিন্দেগীকে সচল রেখেছে এই ফাতাওয়া। এক কথায় ইসলামী উম্মাহর অস্তিত্ব ও স্হায়িত্বের মূল উপাদান হল ফাতাওয়া।
No comments