হজ্জে ঘটে যাওয়া ভুলসমূহ

 👉হজ্জে ঘটে যাওয়া ভুলসমূহ👈



হজ্জে ঘটে যাওয়া ভুলসমূহ

হজ্জ ইসলামের একটি স্তম্ভ। বিত্তবানদের উপরে জীবনে একবার ফরয, দেরি না করা ওয়াজিব। আর স্বাস্থ্য অর্থ থাকলে প্রতি চার বছরে একবার বাইতুল্লাহ শরীফে নফল হজ্জ বা উমরার মাধ্যমে হাযির হওয়া বাইতুল্লাহ শরীফের হক।

 

. ‘হজে বদল যারা যায়, পাঠানেওয়ালা যদি তামাত্তু বা যে কোনো হজের অনুমতি দেয় বা সে অনুমতি নিয়ে নেয়, তাহলে ফাতাওয়া হল, যদিও ইফরাদ করা উত্তম, তবে তামাত্তু করা জায়িয। হাকীমুল উম্মাত থানভী রহ.মুফতী শফী রহ. মাওলানা যফর আহমাদ উসমানী রহ. এই মত প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বর্তমান যুগের কোনো আলেমের ব্যাপারে মতভেদ নেই। (জাওয়াহিরুল ফিক্হ: পৃ.৫০৮-৫১৬) ইমদাদুল আহকাম (২য়খন্ড,পৃ.১৮৬)

 

. সাধারণত মাসআলার কিতাবুগলোতে লেখা থাকে যে, মক্কা ভিন্ন শহর আর মিনা ভিন্ন শহর। অতএব দুই শহর মিলিয়ে যদি কেউ পনেরো দিন বা তার বেশি থাকার নিয়ত করে তাহলে সে মুকীম হবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, মুকীম বা মুসাফির হওয়ার মাসআলা পরিস্থিতির সাথে সম্পৃক্ত। পরিস্থিতি পাল্টে গেলে

মাসআলাও পাল্টে যাবে আর বর্তমান পরিস্থিতি হলো, মক্কা মিনা এখন দুই শহর নেই, আবাদী মিলে এখন এক হয়ে গেছে এমনকি মুযদালিফা, আরাফা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে গেছে অপরদিকে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, মিনার সমস্ত ইন্তেজামী কাজ মক্কার সাথে সম্পৃক্ত সুতরাং আবাদী মিলে যাওয়া সরকার কর্তৃক ইন্তেজামী বিষয় এক করে নেওয়ায় মক্কার শহরের মধ্যে দাখিল হয়ে যাবে বা কমপক্ষে মিনাকে মক্কা শহরের উপকণ্ঠ/ শহরতলী বলা হবে

অতএব কিতাবের উল্লিখিত মাসআলা পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ার কারণে কার্যকর থাকবে না সুতরাং এখন যদি মক্কা মিনা মিলিয়ে কেউ পনেরো দিন বা তার বেশি থাকার নিয়ত করে তাহলে সে মুকীম গণ্য হবে মাসআলাটি ভালো করে বুঝে রাখা দরকার কারণ অনেক আলেমও পরিস্থিতি না জানার কারণে পুরানো কিতাবের মাসআলা বলে থাকেন একটা নমুনা আমাদের ঢাকাতেই আছে যেমন, একটা সময় ছিলো সফরের উদ্দেশ্যেও কেউ যদি ঢাকা ত্যাগ করে বিমানবন্দরে যেত তাকে মুসাফির বলা হত কারণ, তখন ঢাকা আর বিমানবন্দরের মাঝে বেশ ফাঁকা ছিলো, কোনে আবাদী ছিলো না আর সরকারও তখন এয়ারপোর্ট উত্তরা এলাকাকে শহরের মধ্যে শামিল করে নাই তখন উলামাদের ফাতাওয়া ছিলো এয়ারপোর্ট গেলে সে মুসাফির গণ্য হবে কিন্তু পরবর্তীতে এই ফাঁকাটা বসতিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় এবং সরকার টঙ্গীব্রিজ পর্যন্ত শহরের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করায় এখন ফাতাওয়া হচ্ছে কেউ বিদেশভ্রমনের জন্য এয়ারপোর্ট গেলে তিনি মুসাফির হবেন না বরং মুকীম থাকবেন, যতক্ষণ না বিমান উপরে উঠে এখানে যে মাসআলা, মক্কা- মিনায়ও সেই মাসআলা কাজেই যেহেতু তারা মুকীম হলো তাই তাদের জন্য আরো কয়েকটি মাসআলা মানতে হবেঃ



 

 


No comments

Theme images by Deejpilot. Powered by Blogger.